বাচ্চা হওয়ার পর ডেট নাইটই প্রথমে বাদ পড়ে: বড্ড ক্লান্তি, বড্ড খরচ, বড্ড ঝামেলার আয়োজন। কিন্তু জুটিই সেই ভিত যার ওপর পরিবার দাঁড়ায়। বাবা-মা হয়ে ডেট করাটা জমকালো সন্ধ্যার চেয়ে ছোট সন্ধ্যাগুলো আগলে রাখার ব্যাপার বেশি।
মান নামাও, ঘন ঘন করো
সপ্তাহে একবার দুই ঘণ্টার সন্ধ্যা বছরে দুবারের নিখুঁত রাতের চেয়ে ভালো। লক্ষ্য রাখো নিয়মিত আর সহজ, বিরল আর চোখ ধাঁধানো নয়।
বাচ্চা ঘুমোনোর পরের ডেট
- বাচ্চা হওয়ার আগে যে দোকানে যেতে, সেখান থেকে খাবার আনিয়ে মোমের আলোয় খাও।
- ছোট একটা বাজি ধরে তাস বা বোর্ড গেম (যে হারবে সে স্কুলে পৌঁছে দিয়ে আসবে)।
- “কোনো লজিস্টিক নয়” নিয়ম: 30 মিনিট বাচ্চা, ক্যালেন্ডার বা সংসার নিয়ে একটা কথাও নয়।
- এমন একটা সিরিজের প্রথম পর্ব দেখো যা দুজনের কেউই দেখোনি।
বাড়ির বাইরে বেরোনো
- অন্য একটা জুটির সাথে বাচ্চা দেখাশোনা অদলবদল করো: এক শুক্রবার তুমি ওদেরটা নাও, পরেরটায় ওরা তোমারটা।
- বাচ্চা স্কুলে বা ডে-কেয়ারে থাকার সময় দিনের বেলার ডেট করে দেখো: লম্বা দুপুরের খাবারও ধরা যায়।
- দাদু-দিদা বা নানা-নানির সাহায্য নিও নিয়মিত সময়ের জন্য, শুধু জরুরি অবস্থায় নয়।
পরিকল্পনার বোঝা নিজের ঘাড় থেকে নামাও
বাবা-মায়েরা এমনিতেই সংসারের প্রজেক্ট ম্যানেজার। যে ডেট নাইটে আরেক দফা পরিকল্পনা লাগে তা সহজে হয় না। আইডিয়াটা অন্য কাউকে বাছতে দাও, আর সপ্তাহ যখন আর কিছুর সুযোগ দেয় না তখন ঘরের বা সস্তা ডেটের ফিল্টার লাগাও।